১৮ নভেম্বর : বুধবার ভারতীয় জনতা মহিলা মোর্চা বনমালীপুর মণ্ডলের নবম কার্যকারিনী বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন মুখ্যমন্ত্রী শ্রী বিপ্লব কুমার দেব। এদিনের বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে দলীয় কার্যকর্তাদের উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রী বলেন , সমস্ত কার্যকর্তাদের মনে রাখতে হবে, সংগঠনে শর্টকাট বলে কিছু হয় না। অনেক মানুষ এমন রয়েছেন যাঁরা সারা জীবন রাজনীতি করেও বিধায়ক, সাংসদ হতে পারেন না। আমরা তো সেদিক থেকে ভাগ্যবান।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন , আমাদের কাজ হবে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা। বনমালীপুর মণ্ডল এলাকার সমস্ত বাড়িতে স্বামী বিবেকানন্দের ছবি পৌঁছে দিতে হবে। সেই ছবি যেন স্বামীজির বাণী সম্বলিত হয়। কমিউনিস্টদের বাড়িতেও সেই ছবি দিতে হবে। তিনি বলেন, আরও একটি কাজ মহিলামোর্চার কার্যকর্তাদের গুরুত্ব দিয়ে করতে হবে। তা হলো, বমমালীপুরে মোট ১৬ হাজার ৭৫৬টি পরিবার রয়েছে। প্রতি তিনটি পরিবার পিছু একটি পরিবারের মহিলাকে সংগঠনে শামিল করার কাজ করতে হবে। হিসেব করলে সংখ্যাটা দাঁড়ায় পাঁচ হাজার ৫৮৫ জন। এই মহিলাদের এককাট্টা করার কাজ করতে হবে।
সংগঠন মজবুত করার পাশাপাশি নিজেদের ব্যক্তিত্ব বিকাশের কাজও করতে হবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, একই সঙ্গে আমাদের এটা বুঝে নিতে হবে যে আমরা কী শুনতে চাই। আমরা যা শুনতে চাইব তাই শুনতে পাব। আমায় যদি কেউ বলেনও মাননীয় শ্রী অমিত শাহ খারাপ, আমি তা শুনি না। কারণ আমি সেটা শুনতেই চাই না। আবার কোনও রবিবার যদি কর্মসূচীর জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর মন কি বাত শুনতে না পাই তাহলে মনের মধ্যে স্পৃহা থাকে। যদি কোনও কার্যকর্তা দূর থেকে ফিস ফিস করে বলেন আজ মোদীজি এটা বলেছেন, তাহলে সেটাও আমার কানে চলে আসে।
এদিন মহাকরণের কনফারেন্স হলে তপশিলী জাতি অ্যাডভাইজারি কমিটির বৈঠকে পৌরোহিত্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। এই বৈঠকে তপশিলী জাতিভুক্ত জনগণের আর্থসামাজিক মানোন্নয়নের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে।
তপশিলী জাতি কল্যাণ দপ্তর ছাড়াও অন্যান্য দপ্তর যাতে তপশিলী জাতিভুক্ত জনগণের আর্থ সামাজিক উত্তরণকে সুনিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট ব্যয় বরাদ্দ করে সে ব্যাপারে দপ্তরগুলিকে নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্য সরকার তপশিলী জাতিভুক্ত জনগণের সার্বিক উন্নয়ন সাধনে বদ্ধপরিকর বলে উল্লেখ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে তপশিলী জাতিভুক্ত মানুষদের জনগণের কী কী কাজ হয়েছে তার পর্যালোচনা হয়। বেসরকারি স্কুলগুলিতে পাঠরত তপশিলী জাতির ছাত্রছাত্রীরা যাতে স্কলারশিপ সহ অন্যান্য সুবিধা পায় তার জন্য সচেতনতামূলক প্রচারের বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে।





0 মন্তব্যসমূহ